আবার দ্বিতীয় দিন রোযা রাখলেন। অতঃপর সেদিনও ইফতারীর ব্যবস্থা করলেন ইফতার করার জন্য। কিন্তু দেখা গেল ইফতারীর পূর্ব মূহূর্তে একজন ইয়াতীম এসে দরজায় হাঁক দিয়ে বললো, আমি কয়েকদিন ধরে না খেয়ে আছি। দয়া করে আমাকে কিছু খাদ্য দান করুন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি ইফতারীর জন্য যা ব্যবস্থা করেছিলেন তা আগন্তুক ইয়াতীমকে দান করে দিলেন। সুবহানাল্লাহ!
এরপর তৃতীয় দিন রোযা রাখলেন এবং সেদিনও ইফতারীর ব্যবস্থা করলেন। অতঃপর যখন ইফতার করবেন ঠিক সেই মুহূর্তে একজন বন্দি এসে দরজায় হাঁক দিয়ে বললো, আমি কয়েকদিন ধরে না খাওয়া, দয়া করে আমাকে কিছু খাদ্য দান করুন। এটা শুনে হযরত সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ আলাইহাস সালাম তিনি ইফতারীর জন্য যা ব্যবস্থা করেছিলেন তা সেই বন্দিকে দান করে দিলেন। সুবহানাল্লাহ!
উনার এই আমলে সন্তুষ্ট হয়ে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি আয়াত শরীফ নাযিল করে দিলেন যে, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম এবং আসাদুল্লাহিল গালিব হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত ও সন্তুষ্টি হাছিলের উদ্দেশ্যে মিসকীন, ইয়াতীম ও বন্দিদেরকে দান করেন এবং এ বিষয়ে উনাদের বক্তব্য হলো, আমরা যে তোমাদেরকে খাদ্য দান করলাম এর কোনো বদলা কিংবা এজন্য তোমরা আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো তার কোনটাই আমরা কামনা করি না। সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ উনারা উক্ত নেক কাজ শুধুমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত ও সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই করেছেন তাই প্রকাশ করা হলো। সুবহানাল্লাহ!
No comments:
Post a Comment