اَلْفَيَّاضُ (আল ফাইয়্যায)- সীমাহীন দাতা: যেহেতু সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবাইকে বেহিসাব দান করতেন, তাই সবাইকে উনাকে ‘আল ফাইয়্যায লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করতো। সুবহানাল্লাহ!
وكان يقال له الفياض لجوده،
অর্থ: “উনার সীমাহীন দানশীলতার কারণ উনাকে আল ফাইয়্যায বলা হতো।” (সীরাতে হালবিয়্যাহ শরীফ ১/৯)
مُطْعِمُ الْاِنْسِ وَالْوَحْشِ وَالطَّيْرِ (মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহশি ওয়াত ত্বইর)Ñ মানুষ, বন্যপশু ও পাখিদেরকে খাদ্যদানকারী: সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মানুষ, اَلْفَيَّاضُ (আল ফাইয়্যায)- সীমাহীন দাতা: যেহেতু সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবাইকে বেহিসাব দান করতেন, তাই সবাইকে উনাকে ‘আল ফাইয়্যায লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করতো। সুবহানাল্লাহ!وكان يقال له الفياض لجوده،
অর্থ: “উনার সীমাহীন দানশীলতার কারণ উনাকে আল ফাইয়্যায বলা হতো।” (সীরাতে হালবিয়্যাহ শরীফ ১/৯)
مُطْعِمُ الْاِنْسِ وَالْوَحْشِ وَالطَّيْرِ (মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহশি ওয়াত ত্বইর)Ñ মানুষ, বন্যপশু ও পাখিদেরকে খাদ্যদানকারী: সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মানুষ, জিন; এমনকি বন্যপশু ও পাখিদেরকেও খাদ্য খাওয়াতেন। সুবহানাল্লাহ! এই কারণে সকলে উনাকে ‘মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহশি ওয়াত ত্বইর’ লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করতো। সুবহানাল্লাহ! যেমন, এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
يرفع من مائدة عبد المطلب للوحوش والطير فى رؤوس الجبال
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বন্যপশু ও পাখীদের জন্য পাহাড়ের চূড়াসমূহে দস্তরখানা ভর্তি খাবার উঠিয়ে রাখতেন।” সুবহানাল্লাহ! (তারীখুল খমীস ১/১৫৯)
তিনি ধনী, গরিব, মুসাফির সবাইকে বেহিসাব খাদ্য খাওয়াতেন। সুবহানাল্লাহ!
سَيِّدُ النَّاسِ সাইয়্যিদুন নাস: তিনি ছিলেন সমস্ত মানুষের সাইয়্যিদ। তাই উনার একখানা বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুন নাস। সুবহানাল্লাহ!
ذُو الْمَجْدِ وَالسُّؤْدَدِ (যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ)- সম্মানিত মর্যাদা-মর্তবা ও কর্তৃত্ব মুবারক উনার মালিক:
এই সম্পর্কে আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَإِنَّ أَبِىْ ذُو الْمَجْدِ وَالسُّؤْدَدِ الَّذِىْ ...
يُشَارُ بِهِ مَا بَيْنَ نَشْزٍ إِلَى خَفْضِ
অর্থ: “আর নিশ্চয়ই আমার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সীমাহীন মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক ও সম্মানিত কর্তৃত্ব মুবারক উনার অধিকারী। উনার সম্মানিত ইশারা-ইঙ্গিত মুবারক-এ, নির্দেশ মুবারক-এ পরিচালিত হয় উঁচু থেকে নিচু (সম্মানিত আরশে আযীম থেকে তাহ্তাছ ছারা পর্যন্ত) এতোদুভয়ের মাঝে (সারা কায়িনাতে) যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছু। সুবহানাল্লাহ!
তাই সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একখানা বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছেন ‘যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ’। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের যত খুছূছিয়াত বা বৈশিষ্ট্য মুবারক রয়েছে, সমস্ত কিছুর অধিকারী হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: উনার সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মানিত লক্বব মুবারক হচ্ছেন ‘জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম’। অর্থাৎ তিনি হচ্ছেন স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত দাদাজান আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!জিন; এমনকি বন্যপশু ও পাখিদেরকেও খাদ্য খাওয়াতেন। সুবহানাল্লাহ! এই কারণে সকলে উনাকে ‘মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহশি ওয়াত ত্বইর’ লক্বব মুবারক দ্বারা সম্বোধন করতো। সুবহানাল্লাহ! যেমন, এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
يرفع من مائدة عبد المطلب للوحوش والطير فى رؤوس الجبال
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বন্যপশু ও পাখীদের জন্য পাহাড়ের চূড়াসমূহে দস্তরখানা ভর্তি খাবার উঠিয়ে রাখতেন।” সুবহানাল্লাহ! (তারীখুল খমীস ১/১৫৯)
তিনি ধনী, গরিব, মুসাফির সবাইকে বেহিসাব খাদ্য খাওয়াতেন। সুবহানাল্লাহ!
سَيِّدُ النَّاسِ সাইয়্যিদুন নাস: তিনি ছিলেন সমস্ত মানুষের সাইয়্যিদ। তাই উনার একখানা বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুন নাস। সুবহানাল্লাহ!
ذُو الْمَجْدِ وَالسُّؤْدَدِ (যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ)- সম্মানিত মর্যাদা-মর্তবা ও কর্তৃত্ব মুবারক উনার মালিক:
এই সম্পর্কে আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَإِنَّ أَبِىْ ذُو الْمَجْدِ وَالسُّؤْدَدِ الَّذِىْ ...
يُشَارُ بِهِ مَا بَيْنَ نَشْزٍ إِلَى خَفْضِ
অর্থ: “আর নিশ্চয়ই আমার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সীমাহীন মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক ও সম্মানিত কর্তৃত্ব মুবারক উনার অধিকারী। উনার সম্মানিত ইশারা-ইঙ্গিত মুবারক-এ, নির্দেশ মুবারক-এ পরিচালিত হয় উঁচু থেকে নিচু (সম্মানিত আরশে আযীম থেকে তাহ্তাছ ছারা পর্যন্ত) এতোদুভয়ের মাঝে (সারা কায়িনাতে) যা কিছু রয়েছে সমস্ত কিছু। সুবহানাল্লাহ!
তাই সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একখানা বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছেন ‘যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ’। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের যত খুছূছিয়াত বা বৈশিষ্ট্য মুবারক রয়েছে, সমস্ত কিছুর অধিকারী হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: উনার সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মানিত লক্বব মুবারক হচ্ছেন ‘জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম’। অর্থাৎ তিনি হচ্ছেন স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত দাদাজান আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
No comments:
Post a Comment