“উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি আমাকে উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক আলোচনা মুবারক করার জন্য বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমি যেন, উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে আলোচনা করি। সুবহানাল্লাহ! তখন আমি বললাম, (বিনয় প্রকাশার্থে মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বললেন,) আমার তো আপনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা নেই। তখন তিনি আমাকে বললেন, যতটুকু জানা রয়েছে, ততটুকুই যেন আমি আলোচনা মুবারক করি। সুবহানাল্লাহ! তারপর থেকে আমি একধারে তিন জুমুয়াহ শরীফ-এ উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান সম্পর্কে আলোচনা মুবারক করি।” সুবহানাল্লাহ!
মূলত, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের পর আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনিই উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সর্বোত্তম ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করেছেন, উনার শান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ঊলা বা প্রথমা
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ‘ঊলা বা প্রথমা’। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকেই সর্বপ্রথম উম্মুল মু’মিনীন হিসেবে গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! আর উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি একাধারে ২৫ বছর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি যতদিন দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক করেছেন, ততদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অন্য কোন উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে গ্রহণ করেননি। সুবহানাল্লাহ! এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ اُم المؤمنين حَضْرَتْ عَائِشَةَ الصديقة عليها السلام قَالَتْ لَمْ يَتَزَوَّجِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى حَضْرَتْ خَدِيجَةَ عليها السلام حَتَّى مَاتَتْ.
অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে দ্বিতীয় কোন সম্মানিত শাদী মুবারক করেননি অর্থাৎ অন্য কোন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে গ্রহণ করেননি।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ, আল মু’জামুল কাবীর লিত ত্ববারনী ইত্যাদি)
তাহলে এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল, যেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয় এবং সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা-কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!
No comments:
Post a Comment