Saturday, March 10, 2018

নূরান্বিত অপরূপ সৌন্দর্য মুবারক দেখে ইসলামে দীক্ষিত হলো ইহুদী মহিলারা সুবহানাল্লাহ!

একবার কিছু ইহুদী মহিলা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে হাযির হয়ে আরজি পেশ করলো যে, তাদের এক বিবাহের অনুষ্ঠানে তিনি যেন সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে যাওয়ার অনুমতি দান করেন। যে অনুষ্ঠানটি শুধু মহিলাদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইহুদী মহিলাদের আরজি কবুল করলেন।
ইহুদীদের কাজই হলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেয়া। তাই দাওয়াত দানকারিণী ইহুদী মহিলাদের উদ্দেশ্যও ভালো ছিল না। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ইহুদী মহিলারা দামি দামি পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করে এবং হীরা-মণি, মুক্তা ও স্বর্ণালঙ্কারে সুসজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠানে যাবে। আর তাদের ধারণা সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি তো তাদের মতো ততো দামি পোশাক ও অলঙ্কার পরিধান করে অনুষ্ঠানে আসবেন না। যার ফলে উনার কাছে তারা তাদের বড়ত্ব, মহত্ত্ব প্রকাশ করে উনাকে উপহাস বা হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করবে। নাঊযুবিল্লাহ!

সকল মুসলমানের দেনমোহর ‘মোহরে যাহরা’ই শরীফ হওয়া উচিত কারণ এটাই খাছ সুন্নত



মুসলমানের বিবাহ-শাদীতে মোহর নির্ধারণ করা ফরয। আর সে মোহর যথাযথভাবে পরিশোধ করে দেয়াটাও ফরয। কারণ, এটা স্ত্রী বা আহলিয়ার হক। আজকাল বিয়েতে কে কত বেশি মোহর ধার্য করবে তার প্রতিযোগিতা লেগে যায়। দশ লাখ, বিশ লাখ, পঞ্চাশ লাখ। এমনকি কোটি কোটি টাকাও মোহর ধার্য করা হয়। কিন্তু এদের অনেকেই মোহর পরিশোধ করে না এবং করার চিন্তাও করে না। নাউযুবিল্লাহ! এতে করে তাদের গুনাহের বোঝাই ভারি হচ্ছে। কারণ ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে স্ত্রীর মোহর পরিশোধের ফায়ছালা না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রীর সাথে অবস্থান স্বামীর জন্য হালাল হয় না।
হ্যাঁ, মোহরের টাকা একবারেই দিতে হবে তা নয়। পর্যায়ক্রমে দিলেও চলবে। তবে দেয়ার চিন্তা বা মানসিকতা থাকতে হবে। অনেকে মোহরের টাকা মাফ করে দিতে স্ত্রীকে বাধ্য করে। এটা জায়িয নয়। তবে স্ত্রী যদি নিজ থেকে স্বেচ্ছায় দাবি ছেড়ে দেয় সেটা আলাদা কথা।
এখন কথা হচ্ছে, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আলোকে একজন মুসলমানের বিবাহের দেনমোহর কত হওয়া উচিত? মূলত ‘মোহরে যাহারা’ই প্রত্যেক মুসলমানের বিবাহে দেনমোহর হওয়া উচিত। আর ‘মোহরে যাহারা’ই শরীফ হচ্ছে পাঁচশত দিরহাম অর্থাৎ একশত সোয়া একত্রিশ ভরি রূপার মূল্য।
সাইয়্যিদাতু নিসা

Thursday, March 8, 2018

যিনি দুনিয়ায় থাকতে জান্নাতি পোশাক পরিধান করেছেন

নুজাহাতুল মাজালিস’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, একবার কিছু ইহুদী মহিলা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মুবারক খিদমতে হাযির হয়ে আরজি পেশ করলো যে, তাদের এক ধনাঢ্য ইহুদীর মেয়ের বিবাহের অনুষ্ঠানে তিনি যেন সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত যাহরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহ উনাকে যাওয়ার অনুমতি দান করেন। যে অনুষ্ঠানটি শুধু মহিলাদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইহুদী মহিলাদের আরজি কবুল করলেন। দাওয়াত দানকারিণী ইহুদী মহিলাদের উদ্দেশ্য ভালো ছিল না। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো ইহুদী মহিলারা নামি দামি পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করে এবং হীরা-মণি, মুক্তা ও স্বর্ণালঙ্কারে সুসজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠানে যাবে। আর তাদের ধারণা হযরত যাহরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা তিনি তো তাদের মতো অতো সাজসজ্জ্বা করে মজলিছে আসবেন না।

Saturday, September 23, 2017

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দেহ মুবারক উনার সবকিছু পবিত্র ও তা গলধঃকরণ নাজাত হাছিলের কারণ হলে তিনি যাঁদের মাধ্যমে এসেছেন উনাদের কি হুকুম?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, উহুদের ময়দানে কিছু ছাহাবী নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাথা মুবারকের ক্ষতস্থান হতে নির্গত নূরুন নাজাত মুবারক অর্থাৎ রক্ত মুবারক যাতে যমীনে না পড়তে পারে সেজন্য উনারা তা চুষে চুষে পান করেছিলেন। এতদশ্রবণে তিনি উনাদেরকে বললেন, আপনাদের জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে গেল। অর্থাৎ আপনারা নিশ্চিত জান্নাতী। এছাড়া যে সকল ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীর মুবারকে শিঙ্গা লাগিয়ে নূরুন নাজাত (রক্ত) মুবারক পান করেছিলেন উনাদের ক্ষেত্রেও তিনি উক্ত সুসংবাদ দান করেছিলেন। সুবহানাল্লাহ!

এক নজরে সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক

এক নজরে সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম তিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ! উনার মুবারক উসীলায় সমস্ত জিন-ইনসান এবং তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক হাছিল করেছে, করছে এবং অনন্তকাল যাবৎ হাছিল করতেই থাকবে। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী। সুবহানাল্লাহ! তিনি সকলের মাঝে ‘সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ হিসেবে সম্মানিত পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ! নি¤েœ উনার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক তুলে ধরা হলো,

সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে দেখলেই মুশরিকদের বড় বড় মূর্তিগুলো কান্না করতো


   এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,    
وَكَانَ سَيِّدُنَـا حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَبُو النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلَّمَا اَصْبَحَ وَذَهَبَ لِيَدْخُلَ عَلـٰى صَنَمِهِمُ الْاَكْبَرِ وَهُوَ اللَّاتُ وَالْعُزّٰى صَاحَ كَمَا تَصِيْحُ الْـهِرَّةُ وَنَطَقَ وَهُوَ يَقُوْلُ مَا لَنَا وَلَكَ اَيُّهَا الْـمُسْتَوْدِعُ ظَهْرُهٗ نُوْرُ سَيِّدِنَـا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّذِىْ يَكُوْنُ هَلَاكُنَا وَهَلَاكُ اَصْنَامِ الدُّنْيَا عَلـٰى يَدَيْهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
      অর্থ: “আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যখনই সম্মানিত কা’বা শরীফ উনার ভিতর প্রবেশ করতেন বা নিকটে যেতেন বা সম্মানিত কা’বা শরীফ উনার পাশ দিয়ে অতিক্রম করতেন, তখনই মুশরিকদের বড় বড় মূর্তি যেমন লাত, উয্যা এগুলো বিড়ালের ন্যায় চিৎকার করতো এবং কথা বলতো। সেগুলো বলতো, আমাদের কী হলো? আর আপনার জন্য আমাদের এই করুণ অবস্থা, হে মহাসম্মানিত সংরক্ষণকারী! আপনার মাঝে নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অবস্থান মুবারক করছেন। উনার সম্মানিত হাত মুবারক-এ আমাদের এবং পৃথিবীর সমস্ত মূর্তিগুলোর হালাকী ঘটবে। অর্থাৎ আপনার মহাসম্মানিত সুমহান আওলাদ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকেসহ পৃথিবীর সমস্ত মূর্তিগুলো ধ্বংস করে দিবেন, নিশ্চিহ্ন করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ! (তারীখুল খমীস ১/১৮২)

আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক


পরিচিতি মুবারক: 
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম তিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ! উনার উসীলায় সমস্ত জিন-ইনসান এবং তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক হাছিল করেছে। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী। সুবহানাল্লাহ!

নূরান্বিত অপরূপ সৌন্দর্য মুবারক দেখে ইসলামে দীক্ষিত হলো ইহুদী মহিলারা সুবহানাল্লাহ!

একবার কিছু ইহুদী মহিলা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে হাযির হয়ে আরজি পেশ করলো যে, ত...