Sunday, February 19, 2017

পৃথিবীতে এমন ইতিহাস আছে কি "প্রতি কদম মুবারকের নিচে স্বর্ণের প্লেট?"

২২ শে জুমাদাল উলা এক বিশেষ দিন, যেদিন হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক নিকাহ দিবস।যেদিন তিনি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে আসেন। 
বিবাহের জন্য নির্ধারিত দিনে আবূ তালিব স্বীয় ভাই হযরত হামযা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুসহ হাশিমী গোত্রের নেতৃস্থানীয়দের নিয়ে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বাড়িতে গমন করেন। তখন হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বয়স মুবারক ছিল ২৫ বছর। বিবাহ অনুষ্ঠিত হয় আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত প্রকাশের ১৫ বছর পূর্বে।
এ বিবাহ সম্পাদনকালে উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম এর অভিভাবক ছিলেন উনার পিতৃব্য আমর ইবনে আসাদ। এ বিবাহের মোহরানা নির্ধারিত হয় ৫০০ দিরহাম।হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং উনার বিশটি উট বিক্রয় করে এ বিবাহের মোহরানা আদায় করেন।
বিবাহের পর আরব শুধু নয়, সারা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার অফুরন্ত ধন ভাণ্ডার হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খিদমতে স্বেচ্ছায় হাদিয়া করে দেন।
সর্বপ্রথম যেদিন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাক্ষাৎ মুবারক সংঘটিত হয়, সেদিন তিনি রাস্তায় প্রতি ক্বদম মুবারকের নিচে স্বর্ণের প্লেট বিছিয়ে দিয়ে সাদর সম্ভাষণ জানান। সুবহানাল্লাহ! যা ইতিহাসে নজিরবিহীন। এই ঘটনা প্রমাণ করে তিনি কত ধনী ছিলেন।
যারা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আহলে বাইতদের গরীব বলে থাকে তারা বলার আগে ভেবে বলতে হবে। কারন এর সাথে ঈমান জড়িত। উনারা কখনোই গরীব ছিলেন না। উনারা উনাদের সকল সম্পদ বিলিয়ে দিতেন যা উম্মতের জন্য শিক্ষার কারন।
আজ এই দিবস মুসলমান উনাদের বেশি করে খুশি প্রকাশ করা উচিত। আজকের এই দিবসে প্রত্যেক মুসলমানের উচিত বেশি বেশি দান ছদকা করা, ইবাদত বন্দেগী করা এবং গরীব দুঃখীদের খাওয়ানো। কারন তিনি আমাদের মা। আর মায়ের জন্য সন্তান এতটুকু কি করতে পারেনা ?

ঐতিহাসিক মহাপবিত্রতম ২২শে জুমাদাল উলাঃ খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার নিকাহ মুবারক

২২ শে জুমাদাল উলা এক বিশেষ দিন, যেদিন হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার নিকাহ দিবস।
বসরা হতে বাণিজ্য কাফেলা ফিরে আসার তিন মাস পর হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পিতৃব্য আমর ইবনে আসাদের মাধ্যমে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে বিবাহের প্রস্তাব করেন। কিন্তু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বভাবসূলভ লজ্জাবশত, নীরবতার মাধ্যমে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
এক রাতে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, সূর্য একটি আলোর পিণ্ডরূপে উনার গৃহে পতিত হয়। এ আলোতে সমগ্র পবিত্র মক্কা শরীফ আলোকিত হয়ে উঠে। এ স্বপ্নের ব্যাখ্যার জন্য তিনি স্বপ্নের তাবিরবীদগণের সঙ্গে আলোচনা করেন। তাঁরা উল্লেখ করেন, কোনো আলোকসম্পন্ন ব্যক্তির সঙ্গে উনার শুভ পরিণয় ঘটবে।
এ স্বপ্ন দেখার পরদিনই তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট পুনরায় বিবাহের প্রস্তাব প্রেরণ করেন। এ প্রস্তাবে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি উল্লেখ করেন যে, আমি দাম্পত্য সম্পর্কে আবদ্ধ হতে চাই এ কারণে যে, আপনি আমার বংশগত আত্মীয়। আপনার পারিবারিক ঐতিহ্য, ব্যক্তিগত বিশ্বস্ততা, আন্তরিকতা, সংযত স্বভাব, সত্যবাদিতা ইত্যাদি সকলেরই শ্রদ্ধা উৎপাদন করে।
বিবাহের জন্য নির্ধারিত দিনে আবূ তালিব স্বীয় ভাই হযরত হামযা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুসহ হাশিমী গোত্রের নেতৃস্থানীয়দের নিয়ে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বাড়িতে গমন করেন। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বয়স মুবারক ছিল ২৫ বছর। বিবাহ মুবারক অনুষ্ঠিত হয় আনুষ্ঠানিক নুবুওওয়াত প্রকাশের ১৫ বছর পূর্বে।
এ বিবাহ সম্পাদনকালে উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার অভিভাবক ছিলেন উনার পিতৃব্য আমর ইবনে আসাদ। এ বিবাহের মোহরানা নির্ধারিত হয় ৫০০ দিরহাম। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং উনার বিশটি উট বিক্রয় করে এ বিবাহের মোহরানা আদায় করেন।
বিবাহের পর হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার অফুরন্ত ধন ভাণ্ডার হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে স্বেচ্ছায় হাদিয়া করে দেন। সর্বপ্রথম যেদিন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাক্ষাৎ মুবারক সংঘটিত হয়, সেদিন তিনি রাস্তায় প্রতি ক্বদম মুবারকের নিচে স্বর্ণের প্লেট বিছিয়ে দিয়ে সাদর সম্ভাষণ জানান। সুবহানাল্লাহ!
ইহা চিরন্তন সত্য কথা যে, কুলকায়িনাতের সর্বপ্রথম মা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম মুহব্বত, মা’রিফাত, ইতায়াত, তায়াল্লুক, নিসবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টিই মূলত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাদেরই পবিত্রতম মুহব্বত, মা’রিফাত, ইতায়াত, তায়াল্লুক, নিসবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টিরই অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
উম্মুল মু’মিনীন, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে অবিচ্ছদ্যভাবে মিশে আছেন। সুবহানাল্লাহ! মিশে আছেন মু’মিনগণের পবিত্র ঈমান ও ইসলাম উনাদের সাথে। কাজেই উনার পবিত্রতম জীবনী মুবারক অনুসরণ করা সকল পুরুষ-মহিলার জন্য ফরযে আইনের অন্তর্ভুক্ত।

আজকে কোন সে বিশেষ দিবস তা আপনার জানা আছে কি?

কুরআন শরীফে ইরশাদ হয়েছে– আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন সমূহ স্বরন করুন ! নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল শোকরগুযার বান্দাদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে !”( সূরা ইব্রাহীম ৫)
আল্লাহ পাক এখানে মুসলমানদের বিশেষ দিন সমূহ স্বরন করার জন্য বলছেন। মুসলমানের জন্য বিশেষ দিন কি? যেসকল দিবস ইসলাম, নবিজি, আহলে বাইতদের সাথে সম্পর্কযুক্ত তা-ই মুসলমানের জন্য বিশেষ দিবস। কিন্তু আফসোস হলেও সত্য আজ মুসলমান সেসকল দিবস হতে দূরে।
আজ মুসলমান ইসলামী দিবস পালন না করে করে বৈশাখী পূজা, ভালোবাসা দিবস, থার্টি ফার্ষ্ট, মে দিবস, এপ্রিল ফুল, রবীন্দ্র জয়ন্তী ইত্যাদি নাউযুবিল্লাহ।
মুসলমান ভ্যালেন্টাইন দিবস, বৈশাখী পূজার দিবসের কথা মনে রাখে, মিডিয়া তাকে স্বরন করিয়ে দেয়। কিন্তু আজকে যে ২২ জুমাদাল উলা উম্মতের মা উম্মুল মুমীনিন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে আজিমুশ্বান নিকাহ মুবারক তা কতজন মুসলমান জানেন? কতজন স্বরনে রেখেছেন ? কতজন পালন করবেন? 
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ফযীলত ও লক্বব মুবারক সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঈমানদারদের নিকট তাঁদের প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়। আর উনার মহাসম্মানিত আহলিয়াগণ উনারা মু’মিনগণ উনাদের মাতা।” (সূরা আহযাব শরীফ: আয়াত শরীফ ৬)
উনি আমাদের মা। কিন্তু সন্তান হয়ে আমরা কি করছি ? নিজ মায়ের জন্য আমরা কি করি? আমার মা যেদিন আমার বাবার সংসারে এসেছেন সেদিন পালন করে খুশি বোধ করি।মায়ের জন্য সবকিছু উজাড় করে দেই। তাহলে যিনি মায়ের ও মা সেই খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার এই বিশেষ দিবসে আমাদের কি করা উচিত?
উম্মত দাবী করে থাকলে বিনা চু চেরায় সকল মুসলমানের উচিত এই দিবসে খুশি প্রকাশ করা, কুরআন শরীফ পাঠ, ইবাদত -বন্দেগী করা, দান ছদকা করা, গরীব দুঃখীদের খাওয়ানো।
উম্মত দাবী করে, সন্তান হয়ে আমরা কি এতটুকু হক্ব আদায় করতে পারিনা ?

আজ ২২ শে জুমাদাল উলা এক বিশেষ দিন, যেদিন হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার নিকাহ মুবারক দিবস।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিকাহ বা শাদীমুবারক সংঘঠিত হওয়ার দিবস হচ্ছেন- মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ২২ জুমাদাল উলা শরীফ।
এদিন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে মুবারকে আসেন। 
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ধনী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!!! তৎকালীন আরব জাহানে সবচাইতে সম্ভ্রান্ত গোত্র ছিলেন “ক্বুরাঈশ গোত্র”। আর সমস্ত ক্বুরাঈশ গোত্রের যতসম্পদ ছিলো উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি তার চেয়েও বেশী সম্পদশালী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!!! 
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র শাদী মুবারক উনার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেখানে অবস্থান করতেছিলেন সেখান থেকে উনাদের হুজরা শরীফ পর্যন্ত প্রত্যেক ক্বদম মুবারক উনার নিচে একটি করে স্বর্ণের প্লেট রেখেছিলেন, উনার ক্বদম মুবারক একটিবারও মাটিতে পড়ে নাই। সুবহানাল্লাহ!!! তাহলে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার ধন-সম্পদ, প্রাচুর্যতা কত উর্ধ্বে ছিলো তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাহলে উনাদের মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আবনাউ-বানাত-আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা কিরূপ ধনসম্পদ-প্রাচুর্যতার মধ্যে লালিত-পালিত হয়েছেন তাও বলার অপেক্ষা রাখেনা।
আর উম্মুল উমাম আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার ক্বায়িম-মাক্বাম। সুবহানাল্লাহ!!!
এক কথায়- উম্মুল উমাম আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা তিনি ঐরূপ, যেরূপ উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!!!
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিকাহিল আ’যীম শরীফ উনার সম্মানার্থে সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা , উম্মুল উমাম আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা এবং হযরত আহলুল মুর্শিদ ক্বিবলা উনারা রাজারবাগ শরীফে বিশেষভাবে আয়োজন করেছেন “পারিবারিক তা’লীমী মজলিস”। সুবহানাল্লাহ!!! যা কুল কায়িনাতে নজীরবিহীন। 
আজ সেই বিশেষ দিন। কায়িনাতের সকলের জন্য ফরজ এই বিশেষ দিবস জাঁকজমকের সাথে পালন করে সন্তুষ্টি অর্জন করা।

নূরান্বিত অপরূপ সৌন্দর্য মুবারক দেখে ইসলামে দীক্ষিত হলো ইহুদী মহিলারা সুবহানাল্লাহ!

একবার কিছু ইহুদী মহিলা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে হাযির হয়ে আরজি পেশ করলো যে, ত...