Tuesday, November 24, 2015

সর্বসম্মতিক্রমে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত মেয়ে ৪ জন।


সকলেই হযরত খাদীজাহ আলাহাস সালাম মাধ্যমে আগমন করেন।

তাঁরা হলেন:
১. বিনতুর রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনব আলাইহাস সালাম ।
২. বিনতুর রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত রুক্বাইয়া আলাইহাস সালাম।
৩. বিনতুর রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম।
৪. বিনতুর রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমাতুয্ যাহরা আলাইহাস সালাম।
‘শরহুল আল্লামাতিয্ যারক্বানী আলাল মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়াহ’ ৪র্থ খ- ৩১৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে,
فعند ابن اسحاق: فتكون على هذا ثمانية: اربعة ذكور واربعة اناث.
“অর্থাৎ হযরত ইবনু ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, তাঁদের সংখ্যা ৮ জন। ৪ জন ছেলে এবং ৪ জন মেয়ে।” অনুরূপ ‘সুবুলুল্ হুদা ওয়ার রাশাদ ফী সীরাতি খাইরিল ইবাদ’ কিতাবের ১১তম খ- ১৬ ও ১৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে।
‘সুবুলুল্ হুদা ওয়ার রাশাদ ফী সীরাতি খাইরিল ইবাদ’ কিতাবের ১১তম খ- ১৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
نقل ابن الجوزى فى التحقيق عن ابى بكر بن البرقى قال: جميع اولاد رسول الله صلى الله عليه وسلم من خديجة سبعة. ويقال ثمانية: القاسم والطاهر والطيب وابراهيم وزينت ورقية وام كلثوم وفاطمة رضى الله تعالى عنهن.
অর্থাৎ “হযরত ইবনু জাওযী হাম্বলী আশয়ারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর ‘তাহক্বীক্ব’ নামক কিতাবে হযরত আবূ বকর ইবনে বারাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, সাইয়্যিদুনা রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ৭ জন আওলাদ হযরত খাদীজাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা-এর মাধ্যমে আগমন করেন।। তাই সর্বমোট ৮ জন বলা হয়, তারা হলেন: হযরত ক্বাসিম, হযরত ত্বাহির, হযরত ত্বইয়্যিব, হযরত ইব্রাহীম, হযরত যাইনব, হযরত রুকাইয়া, হযরত উম্মু কুলছূম ও হযরত ফাতিমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ওয়া আনহুন্না।। (অনুরূপ সীরাতুল্ হালবিয়াহ ৩য় খ- ৩৯১ পৃষ্ঠায় আছে)
উক্ত কিতাবের উক্ত খ-ের উক্ত পৃষ্ঠায় আরো উল্লেখ আছে
ان ابراهيم من مارية القبطية
অর্থাৎ শুধু হযরত ইব্রাহীম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উম্মুল মু’মিনীন হযরত মারিয়াতুল্ কিবতিয়াহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা-এর মাধ্যমে আগমন করেন।
প্রমাণিত হলো যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছেলে ৪ জন ও মেয়ে ৪ জন ছিলেন।

হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আবনাউহু আলাইহিমুস সালাম

আবনাউহু তথা ছেলেগণ:
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ছেলেগণের সংখ্যা সম্পর্কে অনেক মতামত পাওয়া যায়। কারো মতে: ২ জন। কারো কারো মতে: ৩ জন। মশহুর ও ছহীহ্ মতে ৪ জন। তাঁরা হলেন,
১. ইবনুর রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ক্বাসিম আলাইহিস সালাম
২. ইবনুর রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ত্বইয়্যিব আলাইহিস সালাম।
৩. ইবনুর রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম ।
এই তিনজন হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে তাশরীফ আনেন।
৪. ইবনুর রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম । যিনি হযরত মারিয়াতুল কিবতিয়া আলাইহিস সালাম মাধ্যমে তাশরীফ আনেন।

হাবীবুল্লাহ, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আযওয়াজ আহলিয়া আলাইহিমুস সালামগন


১. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদীজাহ বিন্তু খুওয়াইলিদ আলাইহাস সালাম।
২. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাওদা বিন্তু যাময়া আলাইহাস সালাম।
৩. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা বিন্তু আবী বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহাস সালাম।
৪. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাফসা বিন্তু উমর ফারূক্ব আলাইহাস সালাম।
৫. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত যয়নব বিন্তু খুযাইমা আলাইহাস সালাম
৬. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু সালামাহ আলাইহাস সালাম
৭. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত যয়নব বিন্তু জাহ্শ আলাইহাস সালাম
৮. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত জুওয়াইরিয়া বিন্তু আলাইহাস সালাম
৯. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু হাবীবাহ বিন্তু আলাইহাস সালাম
১০. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত মাইমূনাহ বিন্তু হারিছ আলাইহাস সালাম
১১. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছফিয়্যা বিন্তু হুয়াই বিন আখতাব আলাইহাস সালাম
১২. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত মারিয়াতুল কিবতিয়া আলাইহাস সালাম
১৩. উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত রায়হানা আলাইহাস সালাম

হযরত আহলে বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতকারীদের জন্য সুসংবাদ :

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
من مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه وسلم مات شهيدا الا ومن مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه و سلم مات مغفورا له.
অর্থ: “যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আল তথা বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে মৃত্যুবরণ করবে, সে শহীদের মৃত্যু পাবে।” অর্থাৎ সে শহীদী মর্যাদা পাবে। সুবহানাল্লাহ!
তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সাবধান হও! যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে মারা যাবে, সে ব্যক্তির সমস্ত গুনাহখতা মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ!
তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
الا ومن مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه وسلم مات مؤمنا مستكمل الايمان.
অর্থ: “তোমরা সাবধান হও! যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তিকাল করবে, সে ব্যক্তি পরিপূর্ণ ঈমানদাররূপে ইন্তিকাল করবে।” সুবহানাল্লাহ!
তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
الا من مات على حب ال (سيدنا حضرت) محمد صلى الله عليه وسلم مات تائبا
অর্থ: “যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশধরগণ উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তিকাল করবে, সে ব্যক্তি তওবাকারীরূপে ইন্তিকাল করবে।” (তাফসীরে কবীর- ৭/৩৯০, তাফসীরে কাশশাফ, তাফসীরে রুহুল বয়ান- ৩/৫৩৪, নুজহাতুল মাজালিস-২/২২২)

হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত, তায়াল্লুক, নিসবত মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক লাভের সোপান:


‘যখায়িরুল উক্ববা’ নামক কিতাবের ১৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
انا واهل بيتى شجرة فى الجنة واغصانها فى الدنيا فمن تمسك بنا اتخذ الى ربه سبيلا.
অর্থ: “আমি এবং আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সম্মানিত জান্নাত উনার মধ্যে অবস্থিত একটি গাছ মুবারক। আর ওই গাছের শাখা-প্রশাখা দুনিয়াতে রয়েছে। যারা আমাদের সাথে তায়াল্লুক-নিসবত, (সম্পর্ক) মুহব্বত রাখলো তারা তাদের মহান রব আল্লাহ পাক উনার নিকট পৌঁছার পথ সুগম করলো।” সুবহানাল্লাহ!
‘তাযকিরাতুল হুফফাজ’ নামক কিতাবে বর্ণিত আছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
من صنع الى احد من اهل بيتى يدا كافاته عنه يوم القيامة.
অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের কারো খিদমত মুবারকে আঞ্জাম দিবে আমি নিজে উনার পক্ষ থেকে উহার প্রতিদান দিবো।” সুবহানাল্লাহ! (যখায়িরুল উক্ববা-১৯)


হযরত আহলে বাইত ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সবকিছুর চেয়ে সর্বাধিক মুহব্বত না করলে ঈমানদার হওয়া যায় না:


হযরত আব্দুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পিতা হযরত আবু লাইলা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لا يؤمن عبد حتى اكون احب اليه من نفسه ويكون عترتى احب اليه من عترته ويكون اهلى احب اليه من اهله ويكون ذاتى احب اليه من ذاته.
অর্থ: “কোনো বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার নিজের জান থেকে আমাকে বেশি মুহব্বত করতে না পারবে। আমার সম্মানিত আওলাদ তথা বংশধরগণকে তার বংশধর থেকে বেশি মুহব্বত না করবে। আর আমার সম্মানিত আত্মীয়-স্বজন উনাদেরকে তার আত্মীয়-স্বজন থেকে বেশি মুহব্বত না করবে। আমার সম্মানিত জাত মুবারকে তার জাত থেকে বেশি মুহব্বত না করবে।” (আশশরফুল মুয়াব্বিদ- ৮৫, মু’জামুল আওসাত লিত তাবারান)

হযরত আহলে বাইত ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে নিসবত-তায়াল্লুক স্থাপনকারীগণ কখনো গুমরাহ বা পথভ্রষ্ট হবেন না:


বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। পবিত্র বিদায় হজ্জের দিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার কাসওয়া নামক উঠের উপর আরোহী অবস্থায় মুবারক খুতবাহ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি বললেন,
يا ايها الناس انى تركت فيكم ما ان اخذتم به لن تضلوا كتاب الله وعترتى اهل بيتى
অর্থ: “হে মানুষ সকল! আমি তোমাদের নিকট দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, যদি তা তোমরা দৃঢ়তার সাথে আঁকড়িয়ে ধরো, তাহলে কখনোই গুমরাহ বা পথভ্রষ্ট হবে না। একটি নিয়ামত হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব মুবারক। আর অপর নিয়ামত হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম তথা বংশধরগণ।” (তিরমিযী শরীফ, ২/৭৩৫, মিশকাত শরীফ/৫৬৯)

হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত করার ফযীলত


হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।”
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত রেখে যাচ্ছি। প্রথমটি হলো, মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব মুবারক। যার মধ্যে রয়েছে হিদায়েত ও নূর মুবারক। তোমরা কিতাবুল্লাহ শরীফ উনাকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়িয়ে ধরো। তিনি কিতাবুল্লাহ শরীফ উনার প্রতি উৎসাহ প্রদান করলেন। অতঃপর বললেন, “দ্বিতীয়টি হলো, আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম (আওলাদগণ) বংশধরগণ উনারা। উনাদের ব্যাপারে তোমাদের সতর্ক করছি। উনাদের ব্যাপারে তোমাদের সতর্ক করছি।”

চার ধরনের লোক সাফায়েত লাভ করবে ।

ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন-

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربعة انا لـهم شفيع يوم القيامة الـمكرم لذريتى والقاضى لـهم حوائجهم والساعى لهم فى امورهم عند اضطرارهم اليه والمحب لهم بقلبه ولسانه- 

অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ক্বিয়ামতের দিন আমি নিজেই চার শ্রেণীর লোককে খাছভাবে সুপারিশ করবো:- ১. যে ব্যক্তি আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সম্মান করবে। ২. যে ব্যক্তি অর্থ-সম্পদ দ্বারা আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খিদমত করবে। ৩. যে ব্যক্তি দৈহিক ক শক্তি দিয়ে, শ্রম দিয়ে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খিদমত করবে। ৪. যে ব্যক্তি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মনে-প্রাণে, জবানে গভীরভাবে মুহব্বত করবে।”
 (আল বুরহানু ফী তাফসীরিল কুরআন লিল বাহরানী- ১/২৩, তাফসীরু নূরিছ ছাক্বালাইন লিল হুয়াইযী ২/৫০৪) 

নূরান্বিত অপরূপ সৌন্দর্য মুবারক দেখে ইসলামে দীক্ষিত হলো ইহুদী মহিলারা সুবহানাল্লাহ!

একবার কিছু ইহুদী মহিলা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে হাযির হয়ে আরজি পেশ করলো যে, ত...