নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিকাহ বা শাদীমুবারক সংঘঠিত হওয়ার দিবস হচ্ছেন- মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ২২ জুমাদাল উলা শরীফ।
এদিন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে মুবারকে আসেন।
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ধনী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!!! তৎকালীন আরব জাহানে সবচাইতে সম্ভ্রান্ত গোত্র ছিলেন “ক্বুরাঈশ গোত্র”। আর সমস্ত ক্বুরাঈশ গোত্রের যতসম্পদ ছিলো উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি তার চেয়েও বেশী সম্পদশালী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!!!
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র শাদী মুবারক উনার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেখানে অবস্থান করতেছিলেন সেখান থেকে উনাদের হুজরা শরীফ পর্যন্ত প্রত্যেক ক্বদম মুবারক উনার নিচে একটি করে স্বর্ণের প্লেট রেখেছিলেন, উনার ক্বদম মুবারক একটিবারও মাটিতে পড়ে নাই। সুবহানাল্লাহ!!! তাহলে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার ধন-সম্পদ, প্রাচুর্যতা কত উর্ধ্বে ছিলো তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাহলে উনাদের মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আবনাউ-বানাত-আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা কিরূপ ধনসম্পদ-প্রাচুর্যতার মধ্যে লালিত-পালিত হয়েছেন তাও বলার অপেক্ষা রাখেনা।
আর উম্মুল উমাম আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা তিনি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার ক্বায়িম-মাক্বাম। সুবহানাল্লাহ!!!
এক কথায়- উম্মুল উমাম আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা তিনি ঐরূপ, যেরূপ উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!!!
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিকাহিল আ’যীম শরীফ উনার সম্মানার্থে সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা , উম্মুল উমাম আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা এবং হযরত আহলুল মুর্শিদ ক্বিবলা উনারা রাজারবাগ শরীফে বিশেষভাবে আয়োজন করেছেন “পারিবারিক তা’লীমী মজলিস”। সুবহানাল্লাহ!!! যা কুল কায়িনাতে নজীরবিহীন।
আজ সেই বিশেষ দিন। কায়িনাতের সকলের জন্য ফরজ এই বিশেষ দিবস জাঁকজমকের সাথে পালন করে সন্তুষ্টি অর্জন করা।
No comments:
Post a Comment