এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
وَكَانَ سَيِّدُنَـا حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَبُو النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلَّمَا اَصْبَحَ وَذَهَبَ لِيَدْخُلَ عَلـٰى صَنَمِهِمُ الْاَكْبَرِ وَهُوَ اللَّاتُ وَالْعُزّٰى صَاحَ كَمَا تَصِيْحُ الْـهِرَّةُ وَنَطَقَ وَهُوَ يَقُوْلُ مَا لَنَا وَلَكَ اَيُّهَا الْـمُسْتَوْدِعُ ظَهْرُهٗ نُوْرُ سَيِّدِنَـا مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّذِىْ يَكُوْنُ هَلَاكُنَا وَهَلَاكُ اَصْنَامِ الدُّنْيَا عَلـٰى يَدَيْهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: “আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যখনই সম্মানিত কা’বা শরীফ উনার ভিতর প্রবেশ করতেন বা নিকটে যেতেন বা সম্মানিত কা’বা শরীফ উনার পাশ দিয়ে অতিক্রম করতেন, তখনই মুশরিকদের বড় বড় মূর্তি যেমন লাত, উয্যা এগুলো বিড়ালের ন্যায় চিৎকার করতো এবং কথা বলতো। সেগুলো বলতো, আমাদের কী হলো? আর আপনার জন্য আমাদের এই করুণ অবস্থা, হে মহাসম্মানিত সংরক্ষণকারী! আপনার মাঝে নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অবস্থান মুবারক করছেন। উনার সম্মানিত হাত মুবারক-এ আমাদের এবং পৃথিবীর সমস্ত মূর্তিগুলোর হালাকী ঘটবে। অর্থাৎ আপনার মহাসম্মানিত সুমহান আওলাদ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকেসহ পৃথিবীর সমস্ত মূর্তিগুলো ধ্বংস করে দিবেন, নিশ্চিহ্ন করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ! (তারীখুল খমীস ১/১৮২)
No comments:
Post a Comment