এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
وَكَانَ سَيِّدُنَـا حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُـخْبِرُ اَبَاهُ بِـمَا يَرٰى مِنَ الْعَجَائِبِ يَقُوْلُ يَا اَبَتِ اِنّـِــىْ اِذَا خَرَجْتُ اِلـٰى بَطْحَاءِ مَكَّةَ وَصِرْتُ عَلـٰى جَبَلِ ثَبِيْرٍ خَرَجَ مِنْ ظَهْرِىْ نُوْرَانِ اَخَذَ اَحَدُهُـمَا شَرْقَ الْاَرْضِ وَالْاٰخَرُ غَرْبَـهَا ثُـمَّ اَنَّ ذَيْنِكَ النُّوْرَيْنِ يَسْتَدِيْرَانِ حَتّٰى يَصِيْرَا كَالسَّحَابَةِ ثُـمَّ تَنْفَرِجُ لَـهُمَا السَّمَاءُ فَيَدْخُلَانِ فِيْهَا ثُـمَّ يَـخْرُجَانِ ثُـمَّ يَرْجِعَانِ اِلـىَّ فِـىْ لَمْحَةٍ وَّاحِدَةٍ.
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি যে সকল আশ্চর্যজনক ও বিস্ময়কর বিষয় মুবারক দেখতেন, সেগুলো তিনি উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতেন। একদা তিনি বলেন, হে আমার মহাসম্মানিত হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম! আমি যখন সম্মানিত মক্কা শরীফ উনার সমভূমি থেকে বের হয়ে ছাবীর পর্বতের উপর পৌঁছি, তখন আমার সম্মানিত পৃষ্ঠ মুবারক থেকে দুইখানা সম্মানিত নূর মুবারক বের হয়ে একখানা সম্মানিত নূর মুবারক পৃথিবীর পূর্ব প্রান্ত ঘেরাও করে নেন, অপরখানা নূর মুবারক পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্ত ঘেরাও করে নেন। অতঃপর নিশ্চয়ই ওই সম্মানিত দুইখানা নূর মুবারক গোলাকার হয়ে ঘুরতে ঘুরতে মেঘের মতো হয়ে যান। তারপর উক্ত সম্মানিত দুইখানা নূর মুবারক উনাদের জন্য আসমান ফেটে যায় এবং উক্ত সম্মানিত দুইখানা নূর মুবারক আসমানের ভিতর প্রবেশ করেন। অতঃপর আবার এক নিমিষে আমার নিকট প্রত্যাবর্তন করেন। অর্থাৎ পুনরায় আমার মাঝে অবস্থান মুবারক করেন।” সুবহানাল্লাহ! (তারীখুল খমীস ১/১৮২)
No comments:
Post a Comment