Tuesday, March 29, 2016

সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার এবং উনার সন্তান-সন্ততিগণের জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম:


عن حضرت ابن عباس رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لفاطمة عليها السلام ان الله غير معذبك ولا ولدك.
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে এবং আপনার সন্তানগণকে কোনো প্রকার শাস্তি দিবেন না।” (আল মুজামুল কবীর - তাবারানী- ১১/২১০, মাজমাউয যাওয়ায়িদ - হাযসামী- ৯/২০২, আল মুসনাদ- বাযযার - ৫/২২৩, আল মুস্তাদরিক - হাকিম - ৩/১৬৫, হিলয়াতুল আউলিয়া - আবু নাঈম -৪/১৮৮)

عن حضرت عبد الله بن مسعود رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان فاطمة عليها السلام حصنت فرجها فحرمها الله تعالى وذريتها على النار. 
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহান চরিত্র মুবারককে পূত-পবিত্রতম রেখেছেন। কাজেই মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার জন্য এবং উনার সন্তান-সন্ততিগণ উনাদের জন্য জাহান্নাম হারাম করে দিয়েছেন।” (মু’জামুল কবীর -তাবারানী-২২/৪০৮, আল মুসনাদ - বাযযার -৫/২২৩, আল মুস্তাদরাক - হাকিম -৩/১৬৫, হিলয়াতুল আউলিয়া - আবু নাঈম -৪/১৮৮)
عن حضرت جابر بن عبد الله رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم انما سميت بنتى حضرت فاطمة عليها السلام لان الله تعالى فاطما وفطم محبيها عن النار.
অর্থ: “হযরত জাবির ইবনে আব্দিল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- আমার কলিজা মুবারক উনার টুকরা মুবারক হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে ‘ফাতিমা’ নাম মুবারক রেখেছি এই জন্য যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে এবং উনার মুহিব্বীন তথা মুহব্বতকারীগণকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত রেখেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (আল ফিরদাউস বি মা’ছুবিল খিতাব - দায়লামী -১/৩৪৬, কাঞ্জুল উম্মাল- ১২/১০৯, ইসতিজলার ইরতিকায়িল গুরুর বি ২ হুব্বি আকরাবায়িল রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওয়া জাবিশ শরফ - ইমাম আখাবী-৯৬)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন ছফর মুবারকে যেতেন সবশেষে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং ছফর মুবারক থেকে ফিরে এসে সর্বপ্রথম উনার সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং হাদিয়া মুবারকও দিতেন। সুবহানাল্লাহ!
عن حضرت ابن عمر رضى الله تعالى عنه ان النبى صلى الله عليه وسلم كان اذا سافر كان اخر الناس عهدا حضرت فاطمة عليها السلام واذا قدم من سفر كان اول الناس به عهدا حضرت فاطمة عليها السلام. فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم فداك ابى وامى.
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছফর মুবারকে যাওয়ার প্রাক্কালে স্বীয় পরিবার-পরিজন উনাদের মধ্যে সর্বশেষ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে মুবারক কথা বলে রওয়ানা দিতেন। আর মুবারক ছফর হতে ফিরে এসে প্রথম উনার সাথে সাক্ষাৎ মুবারক করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতেন আমার সম্মানিত মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক।”
মুসতাদরাকে হাকিম-৩/১৭০, ছহীহ ইবনে হিববান-২/৪৭০,৪৭১, মাওয়ারিদুয যাময়ান- হায়সামী-৬৩১, দুররুস সাহাব ফি মানাকিবিল কিরাবা ওয়াস সাহাব ইমাম শান্ত কানী-২৭৯।

No comments:

Post a Comment

নূরান্বিত অপরূপ সৌন্দর্য মুবারক দেখে ইসলামে দীক্ষিত হলো ইহুদী মহিলারা সুবহানাল্লাহ!

একবার কিছু ইহুদী মহিলা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে হাযির হয়ে আরজি পেশ করলো যে, ত...