১. স্বামীর আগে ভোরে বিছানা ত্যাগ করবে।
২.স্বামীর খিদমত করে জান্নাত হাছিল করবে।
৩.স্বামীর খিদমতে নিজেকে ফানা করে দেবে।
৪. কখনো স্বামীর অবাধ্য হবে না।
৫. কোনো কাজে স্বামীর সাথে তর্ক করবে না।
৬. স্বামীর সাধ্যের বাইরে কোনো কিছু তার নিকট চাইবে না।
৭. অযথা আবদার করে স্বামীকে লজ্জা দেবে না।
৮. স্বামীর দোষ তালাশ করবে না।
৯. স্বামীর মনে কষ্ট পায় এমন কাজ করবে না।
১০. স্বামীর সামনে নম্র ও কোমল ভাষায় কথা বলবে।
১১. সদা স্বামীর সাথে হাসিমুখে কথা বলবে।
১২. স্বামীর দুঃখ-কষ্টের ভাগী হবে।
১৩. স্বামীর আওয়াজের চেয়ে বড় আওয়াজ দিয়ে কথা বলবে না।
১৪. স্বামী ডাকা মাত্রই তার ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হবে।
১৫. স্বামীকে সর্বদা খুশি রাখতে চেষ্টা করবে।
১৬. স্বামীর ঘরে কখনো জিদ ও হঠকারিতা করবে না।
১৭. স্বামী ব্যতীত অন্য কারো সাথে হাসিমুখে কথা বলবে না।
১৮. স্বামীর কোনো জিনিসপত্রে কখনো অসন্তুষ্ট হবে না।
১৯. স্বামীর সকল নিকটাত্মীয়ের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে।
২০. স্বামীর বিনা অনুমতিতে কাউকে কিছু খাওয়াবে না।
২১. স্বামীর সাথে কর্কশ ভাষা ব্যবহার করবে না।
২২. স্বামীর মন সন্তুষ্টির জন্য তার ইচ্ছানুযায়ী বেশ-ভুষা করবে এবং সেজে-গুজে চলবে।
২.স্বামীর খিদমত করে জান্নাত হাছিল করবে।
৩.স্বামীর খিদমতে নিজেকে ফানা করে দেবে।
৪. কখনো স্বামীর অবাধ্য হবে না।
৫. কোনো কাজে স্বামীর সাথে তর্ক করবে না।
৬. স্বামীর সাধ্যের বাইরে কোনো কিছু তার নিকট চাইবে না।
৭. অযথা আবদার করে স্বামীকে লজ্জা দেবে না।
৮. স্বামীর দোষ তালাশ করবে না।
৯. স্বামীর মনে কষ্ট পায় এমন কাজ করবে না।
১০. স্বামীর সামনে নম্র ও কোমল ভাষায় কথা বলবে।
১১. সদা স্বামীর সাথে হাসিমুখে কথা বলবে।
১২. স্বামীর দুঃখ-কষ্টের ভাগী হবে।
১৩. স্বামীর আওয়াজের চেয়ে বড় আওয়াজ দিয়ে কথা বলবে না।
১৪. স্বামী ডাকা মাত্রই তার ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হবে।
১৫. স্বামীকে সর্বদা খুশি রাখতে চেষ্টা করবে।
১৬. স্বামীর ঘরে কখনো জিদ ও হঠকারিতা করবে না।
১৭. স্বামী ব্যতীত অন্য কারো সাথে হাসিমুখে কথা বলবে না।
১৮. স্বামীর কোনো জিনিসপত্রে কখনো অসন্তুষ্ট হবে না।
১৯. স্বামীর সকল নিকটাত্মীয়ের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে।
২০. স্বামীর বিনা অনুমতিতে কাউকে কিছু খাওয়াবে না।
২১. স্বামীর সাথে কর্কশ ভাষা ব্যবহার করবে না।
২২. স্বামীর মন সন্তুষ্টির জন্য তার ইচ্ছানুযায়ী বেশ-ভুষা করবে এবং সেজে-গুজে চলবে।
No comments:
Post a Comment