প্রথম মুসলমান
আনুষ্ঠানিকভাবে ওহী নাযিল মুবারক নাযিল হওয়া শুরু হলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে অবহিত করেন। তিনিই সর্বপ্রথম পবিত্র ইসলাম গ্রহণ করেন। হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনয়নের ক্ষেত্রে কায়িনাতের সমস্ত মহিলা হতে অগ্রগামী। (কানজুল উমাল)
আসমানী সালাম
আনুষ্ঠানিক নবুওয়াত মুবারক প্রকাশের পূর্ব হতেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রবিত্র হেরা গুহায় অবস্থান মুবারক গ্রহণ করেন। সেই সময় উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম প্রায়ই মুবারক খিদমতে গমন করতেন। তারই ধারাবহিহিকতায় একদিন তিনি যাচ্ছিলেন, তিনি পৌছার পূর্বেই হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি এসে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি আপনার খিদমত মুবারকে আসতেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে উনাকে সালাম জানাবেন। অতপর, উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি যখন পৌছলেন। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিষয়টি উনাকে জানালেন। অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক হযরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লারøাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জবান মুবারকে সালাম মুবারক জানিয়েছেন।সুবহানাল্লাহ।
খিদমতে একক ব্যক্তিত্ব
পবিত্র ইসলাম উনার সূচনালগ্নে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং ইসলাম উনার খিদমতে উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল ত্যাগ উনাকে কায়িনাতবাসীর জন্য উসওয়াতুন হাসানাহ বানিয়েছে। যা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার আলোচনা মুবারক করতেন, তখন উনার অনেক ছানা-ছীফত মুবারক করতেন। একদা এমনি পরিস্থিতিতে আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি তো পবিত্র বিছালী শান মুবারক গ্রহণ করেছেন। এখন মহান আল্লাহ পাক আপনাকে অনেক উম্মুল মু’মিনীন হাদিয়া করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দেখুন! সমস্ত মানুষ যখন আমাকে অস্বীকার করেছে, তখন কেবল তিনিই আমার প্রতি ঈমান এনেছিলেন। সকলই যখন আমাকে সত্য রসূল হিসেবে গ্রহণ করেনি, তখন কেবল তিনিই আমাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। সকলই যখন আমাকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছে, তখন কেবল তিনিই আমার যাবতীয় খিদমত মুবারকের আঞ্জাম প্রদান কেেছন। কেবল তিনিই আমাকে স্বান্তনা প্রদান করেছেন। (তাবারানী)
প্রত্যক্ষ দর্শী
উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি অনেক অহী মুবারকের প্রত্যক্ষদর্শী। উনার খিদমত মুবারকের প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে অনেক আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। আনুষ্ঠানিক অহী মুবারক নাযিল হলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে বিষয়টি জানিয়ে উনাকে কম্বল মুবারকে আবৃত করার আদেশ মুবারক প্রদান করেন। মুবারক আদেশ পালনার্থে উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে কম্বল মুবারকে আবৃত করেন।
শিয়াবে আবু তালিব
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে শাদী মুবারক করেন, তখন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক ছিল ৪০ বছর। আনুষ্ঠানিক নবুওওয়াত প্রকাশকালে উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক ৫৫ বছর। আনুষ্ঠানিক নবুওওয়াত প্রকাশের প্রথম দশ বছর সর্ব প্রকার খিদমতের তিনি আঞ্জাম দিয়েছেন। কাফির মুশরিকদের জুলুম-নির্যাতন যখন চরম পর্যায়ে পৌছলো, তখনও তিনি উনার খিদমতে ছিলেন অবিচল। কাফিররা যখন মুসলমানগণ উনাদেরকে শিয়াবে আবু তালিবে তিন বছর অবরুদ্ধ করে রাখলো, তখনও তিনি ছিলেন দৃঢ়চিত্ত। তিনি উনার ধন-সম্পদ, জান-মাল, প্রভাব-প্রতিপিত্তি সমস্ত কিছু বিসর্জন দিয়ে মুবারক খিদমতে একনিষ্টভাবে আঞ্জাম প্রদান করেছেন।
আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নবুওওয়াত উনার ঘোষণার দশম বছরে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ৬৫ বছর বয়স মুবারকে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার বছরকে আমুল হুযন নামে আখ্যায়িত করা হয়।
উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি সুদীর্ঘ ২৫ বছর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেন। উনার সমস্ত সম্পদই মুবারক খিদমতে ব্যয় করেন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার-প্রসারে উনার সুমহান অবদান বেমেছাল নযীর স্থাপন করেছেন। পারিবারিক, সামাজিক, শারীরিক, মানষিক এবং অর্থনৈতিক সর্ব দিক থেকেই তিনি এককভাবে খিদমত মুবারক করেছেন।
মূলত: উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে, মুবারক খুছূছিয়ত, মুবারক হুলিয়া, মুবারক চাল-চলন এবং মুবারক সাওয়ানেহে উমরী উপলব্ধি করতে হলে বর্তমান সময়ে হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার কোনো বিকল্প নেই। কেননা, তিনি হলেন নকশায়ে উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম মিল্লাতকে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মুবারক শান উপলব্ধি করে উনাদের ব্যাপারে হুসনে যন পোষণ করত: উনাদের হক্ব হাক্বীক্বীভাবে আদায় করার তাওফীক দান করুন। আমীন!ম তিনি অনেক অহী মুবারকের প্রত্যক্ষদর্শী। উনার খিদমত মুবারকের প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে অনেক আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। আনুষ্ঠানিক অহী মুবারক নাযিল হলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে বিষয়টি জানিয়ে উনাকে কম্বল মুবারকে আবৃত করার আদেশ মুবারক প্রদান করেন। মুবারক আদেশ পালনার্থে উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে কম্বল মুবারকে আবৃত করেন।
শিয়াবে আবু তালিব
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে শাদী মুবারক করেন, তখন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক ছিল ৪০ বছর। আনুষ্ঠানিক নবুওওয়াত প্রকাশকালে উনার দুনিয়াবী হায়াত মুবারক ৫৫ বছর। আনুষ্ঠানিক নবুওওয়াত প্রকাশের প্রথম দশ বছর সর্ব প্রকার খিদমতের তিনি আঞ্জাম দিয়েছেন। কাফির মুশরিকদের জুলুম-নির্যাতন যখন চরম পর্যায়ে পৌছলো, তখনও তিনি উনার খিদমতে ছিলেন অবিচল। কাফিররা যখন মুসলমানগণ উনাদেরকে শিয়াবে আবু তালিবে তিন বছর অবরুদ্ধ করে রাখলো, তখনও তিনি ছিলেন দৃঢ়চিত্ত। তিনি উনার ধন-সম্পদ, জান-মাল, প্রভাব-প্রতিপিত্তি সমস্ত কিছু বিসর্জন দিয়ে মুবারক খিদমতে একনিষ্টভাবে আঞ্জাম প্রদান করেছেন।
আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নবুওওয়াত উনার ঘোষণার দশম বছরে হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম পবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ৬৫ বছর বয়স মুবারকে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার বছরকে আমুল হুযন নামে আখ্যায়িত করা হয়।
উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি সুদীর্ঘ ২৫ বছর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেন। উনার সমস্ত সম্পদই মুবারক খিদমতে ব্যয় করেন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার-প্রসারে উনার সুমহান অবদান বেমেছাল নযীর স্থাপন করেছেন। পারিবারিক, সামাজিক, শারীরিক, মানষিক এবং অর্থনৈতিক সর্ব দিক থেকেই তিনি এককভাবে খিদমত মুবারক করেছেন।
মূলত: উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে, মুবারক খুছূছিয়ত, মুবারক হুলিয়া, মুবারক চাল-চলন এবং মুবারক সাওয়ানেহে উমরী উপলব্ধি করতে হলে বর্তমান সময়ে হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার কোনো বিকল্প নেই। কেননা, তিনি হলেন নকশায়ে উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম মিল্লাতকে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মুবারক শান উপলব্ধি করে উনাদের ব্যাপারে হুসনে যন পোষণ করত: উনাদের হক্ব হাক্বীক্বীভাবে আদায় করার তাওফীক দান করুন। আমীন!
No comments:
Post a Comment